শত মিটার দৌড়ের গতিতে ম্যারাথন দৌড়ানো

নবয়োৎসব পবিত্র সম্রাট শূন্যতা মহাসাধক 528শব্দ 2026-03-04 09:19:18

কয়েক দিন আগে একটি কথা পড়েছিলাম, যার মূল বক্তব্য ছিল, এখন অনেকেই এমন একটি জীবনে বাস করছে, যেন তারা শত মিটার দৌড়ের গতিতে ম্যারাথন শেষ করার চেষ্টা করছে। এর নিষ্ঠুরতা সহজেই অনুমেয়।
হঠাৎ মনে হলো, এই বাক্যটি আমাদের মতো প্রতিদিন কম্পিউটারের সামনে বসে লেখালেখি করা মানুষদের জন্য আরও বেশি উপযুক্ত। আমরা, যারা ইন্টারনেটে উপন্যাস লিখি, সত্যিই যেন সেই শত মিটার দৌড়ের গতিতে চলা দীর্ঘ ম্যারাথনের জীবন কাটাচ্ছি!
কয়েক মিলিয়ন শব্দের একটি বিশাল উপন্যাস লিখতে হবে, এর বিপুল পরিশ্রম নিঃসন্দেহে এক দীর্ঘ ম্যারাথনের মতো। অথচ প্রতিদিনই সর্বোচ্চ গতিতে লেখার কাজ, সংশোধন, আপলোড এবং সম্পাদক ও পাঠকদের সঙ্গে যোগাযোগ—এসব চালিয়ে যেতে হয়। অনেক সময় তো অবস্থা এমন দাঁড়ায়, ঘুম-খাওয়া ভুলে, দিন-রাত একটানা কাজ করতে হয়, একদিনও ফাঁকি দেওয়া চলে না। নইলে, যথেষ্ট লেখা আপলোড করা যায় না, যারা তোমাকে ভালোবাসে, সমর্থন করে, সেই পাঠকেরা হতাশ হয়। তাছাড়া, উপন্যাস লেখা এমন এক মানসিক শ্রম, যাতে মনোযোগের চরম প্রয়োজন! সময় থাকলেই হয় না, চাই সৃষ্টিশীলতার সেরা মুহূর্তের সদ্ব্যবহারও। তাই প্রতিদিনই আমাদের জীবন যেন টানটান উত্তেজনায় ভরা শত মিটার দৌড়ের মতো।
হাস্যকর হলেও, এত অভিযোগের পরও, এসব শুধু অন্তরের অনুভূতি প্রকাশের জন্য। যখন এ কাজকে ভালোবেসে ফেলেছি, তখন সব বাধা ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। পাহাড়-সমুদ্র, অগ্নি-নরক—যাই-ই আসুক! প্রাণ থাকলে, স্বপ্ন থাকবে, লেখার গতি কখনোই থামবে না!
সহানুভূতির জয় হোক! আশা করি, পাঠকেরা আমাদের অনলাইন লেখকদের সুখ-দুঃখ বুঝবেন, আমাদের আরও বেশি ভালোবাসা ও সমর্থন দেবেন!
আবারও বলি, যদি ‘নয়যুয়েত পবিত্র সম্রাট’ হয় একটি কচি চারা, অক্লান্ত শ্রমের সাহিত্যচর্চা হয় তার বেঁচে থাকার মাটি, তবে আপনাদের স্নেহ ও যত্নই সেই চারার বেড়ে ওঠার মধুর বৃষ্টি। প্রিয় পাঠকেরা, আপনাদের কাছে অনুরোধ রইল!